PPM মানে “প্রতি মিলিয়নে অংশ”। এই প্রেক্ষাপটে, সংখ্যাটি পানিতে ডিউটেরিয়ামের উপস্থিতি মিলিয়ন অংশের তুলনায় কতটুকু তা নির্দেশ করে। এটি একটি রচনামূলক পরিমাপ, স্বাস্থ্যের জন্য একটি সার্বজনীন স্কোর নয়।

কেন কোনো 'ম্যাজিক সংখ্যা' নেই

কম মান দেখায় যে পানিতে অন্যটির তুলনায় কম ডিউটেরিয়াম রয়েছে, কিন্তু এটি একা বলতে পারে না যে শরীরে কী ঘটবে। যদি কোনো প্রভাব থাকে, তবে তা মাত্রা, সময়কাল, সাধারণ খাদ্যাভ্যাস, স্বাস্থ্যের অবস্থা, তুলনা করা পণ্য এবং গবেষণার বিষয়ের ওপর নির্ভর করতে পারে।

এছাড়াও, পানি হলো হাইড্রোজেন এবং ডিউটেরিয়ামের মোট গ্রহণের একটি উপাদান মাত্র। খাবার, মেটাবলিজম এবং অন্যান্য পানীয় এই প্রেক্ষাপটের অংশ। তাই, একটি বোতলের লেবেল থেকে সরাসরি কোনো ক্লিনিকীয় দাবিতে পৌঁছানো একটি সংক্ষিপ্ত পথ।

লেবেলে যা যা যাচাই করা উচিত

  • ঘোষিত ঘনত্ব এবং পরিমাপের একক;
  • যখন উপলব্ধ হয় তখন বিশ্লেষণের পদ্ধতি বা সার্টিফিকেট;
  • প্রস্তুতকারক, ব্যাচ এবং সংরক্ষণের শর্তাবলী;
  • স্বাস্থ্য সংক্রান্ত দাবি: এগুলো সাবধানে রূপ দেওয়া হয়েছে নাকি নিশ্চিত ফলাফল প্রতিশ্রুতি দেয়?
ব্যবহারিক রেফারেন্স: ppm গঠন তুলনা করার জন্য উপকারী। এটি কোনো নির্দেশিকা নয় এবং ক্লিনিক্যাল গবেষণার বিকল্প নয়।

সংখ্যার বাইরে

একটি দায়িত্বশীল পণ্য যা মাপে, কীভাবে মাপে এবং কী সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারে না তা ব্যাখ্যা করে। যখন যোগাযোগে নির্দিষ্ট চিকিৎসাগত ফলাফলের প্রস্তাব দেওয়ার জন্য একটি সঠিক সংখ্যা ব্যবহার করা হয়, তখন গবেষণার উৎস ও নকশা জিজ্ঞাসা করা উচিত।